
ঢাকা থেকে প্রকাশিত গত ৪/৯/২০২১ তারিখের দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার বারো পাতার ১ম কলামে ‘রামগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ’ ও ৪/৯/২০২১ তারিখের দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার নবম পাতার ৫ম কলামে ‘চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ’ এবং ৪/৯/২০২১ তারিখের দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার দশম পাতার ১ম কলামে ইউপি ‘চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ’ শিরোনামসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন সাইটে প্রকাশিত ও প্রচারিত সংবাদ আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত প্রকাশিত সংবাদগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত হওয়ায় আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।
পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে যে সকল তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে এসবের কোনটি সত্য নয়। আসছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের কতিপয় স্বার্থেন্বেষী ব্যক্তি ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার জনপ্রিয়তাকে ক্ষুন্ন করার হীনস্বার্থে এবং সামাজিক মর্যাদা নষ্ট করার জন্য এসব মিথ্যা অভিযোগ আনে।
সকলের অবগতির জন্য আমার বক্তব্য হলো, আমার করপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে বছরে সর্বোচ্চ ট্যাক্স আদায় হয় সাড়ে ছয় লক্ষ টাকা থেকে সাত লক্ষ টাকা। ট্যাক্স আদায়কারীকে বিশ পার্সেন্ট কমিশন বাদ দিয়ে মোট বছরে পরিষদের আয় সর্বমোট প্রায় সাড়ে পাঁচ লক্ষ টাকা। অপরদিকে চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের বছরে বেতন বাবদ নয় লক্ষ টাক দিতে হয় এবং জনস্বার্থে ছোট ছোট উন্নয়ন ও আনুষঙ্গিক বিভিন্ন খরচ প্রায় তিন লক্ষ টাকাসহ মোট খরচ বারো লক্ষ টাকা। পরিষদে বছরে আয়ের চেয়ে ব্যায় অনেক বেশি হওয়ায় আমি চেয়ারম্যান এক লক্ষ সত্তর হাজার টাকা বকেয়া বেতন পাওনাসহ বেশিরভাগ ইউপি সদস্যদের বেতনভাতা যথা সময়ে দেয়া সম্ভব হয় না।
আসন্ন নির্বাচনে আমার সম্ভাব্য প্রতিদন্ধী চেয়ারম্যান প্রার্থী তসলিম হোসেনের আত্মীয় ৩নং ওয়ার্ডের সম্মানিত ইউপি সদস্য জনস্বার্থমূলক কাজে বেশিরভাগ সময়ে পরিষদে উপস্হিত থাকেন না তবে নিজ ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য মাঝে মাঝে পরিষদে হাজির হন। ৭নং ওয়ার্ডের সম্মানিত ইউপি সদস্য গত দুই বছরে একদিনও পরিষদে উপস্হিত হন নাই তবে আসন্ন নির্বাচনে তার পুত্র রেজাউল করিম সেলিম সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ায় রাজনৈতিক কারনে তারা পিতাপুত্র মিলে নানান রকম মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ এনে আমার জনপ্রিয়তাকে ক্ষুন্ন করার কাজে লিপ্ত আছেন। আসন্ন নির্বাচনে আমার প্রতিপক্ষ চেয়ারম্যান প্রার্থী যুবলীগ সমর্থিত জাহিদ মির্জার আপন বোনজামাই ও ৯ ওয়ার্ডের সম্মানিত ইউপি সদস্য জনস্বার্থমূলক কাজে বেশিরভাগ সময়ে পরিষদে উপস্হিত থাকেন না তবে নিজ ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য মাঝে মাঝে পরিষদে হাজির হন। এ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং তার ভাই জাকির এবং বাবুর বিরুদ্ধে মাদক বিক্রয় ও সেবনের বহু অভিযোগ আছে। ৪/৫/৬ নং ওয়ার্ডে সংরক্ষিত আসনের সম্মানিত নারী ইউপি সদস্য গত পাঁচ বছরে আমার জানা মতে বেতনভাতার জন্য ৫ বার এবং নিজ ব্যক্তিগত কাজে ৫/৬ বার পরিষদে উপস্হিত ছিলেন। আমার জানা মতে তিনি পরিবারসহ ঢাকা থাকেন।
সর্বোপরি আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আমার প্রতিপক্ষের সম্ভাব্য প্রার্থীরা রাজনৈতিক কারনে তাদের হীনস্বার্থ আদায়ের উদ্দ্যেশে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্রিকা ও অনলাইন পেজ বা সাইটে যেসব সংবাদ ছাপানো হয়েছে আমি এসব প্রকাশিত ও প্রচারিত সংবাদগুলোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
মুজিবুল হক মুজিব
চেয়ারম্যান, করপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ।
রামগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর।