রামগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীকে ধর্ষণ: পল্লী চিকিৎসক কারাগারে

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার লামচর উচ্চ বিদ্যালয় এলাকার একটি ফার্মেসীতে চিকিৎসা নিতে এসে ধর্ষিত হয়েছেন এক গৃহবধু। ধর্ষিতা গৃহবধু ২ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে রামগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জহিরুল আলম ও উপ পরিদর্শক ওয়ালী উল্যাহ শুক্রবার সকালে পল্লী চিকিৎসক ফরিদকে গ্রেপ্তার করে। ‘অভিযুক্ত’ পল্লী চিকিৎসক ফরিদ হোসেন লামচর গ্রামের ভূঁইয়া বাড়ির হারুনুর রশিদের পুত্র। অপরদিকে শুক্রবার সকালে ধর্ষিতা গৃহবধুকে ডাক্তারী পরীক্ষা- নিরীক্ষা করার জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার লামচর গ্রামের দত্তের বাড়ির সৌদি প্রবাসী —————- স্ত্রী শারীরিক অসুস্থতার কারণে পার্শ্ববর্তী লামচর বাজারের ফরিদ ফার্মেসিতে যায়। এসময় ‘লম্পট’ পল্লী চিকিৎসক ইঞ্জেকশন দেয়ার কথা বলে ফার্মেসীর ভিতরের একটি নির্জন কক্ষে নিয়ে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে। এসময় ধর্ষিতা চিৎকার দেয়ার চেষ্টা করলে ফরিদ তাকে মুখ চেপে ধরে বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। তাৎক্ষনিক ওই গৃহবধু কাউকে কিছু না বলে লোক-লজ্জার ভয়ে বাড়িতে গিয়ে শশুর-শাশুড়ীসহ পরিবারের লোকজনকে বিষয়টি জানায়।

ধর্ষিতা গৃহবধু জানান, প্রথম প্রথম ফার্মেসীতে গেলে ফরিদ আমার শরীরের স্পর্শকাতর বিভিন্নস্থানে হাত দেয়ার চেষ্টা করলে আমি তাকে সতর্ক করলেও বিগত কয়েকমাস থেকে সে বেশ কয়েকবার জোরপূর্বক আমাকে ধর্ষণ করে। কিন্তু লোকলজ্জার ভয়ে আমি কাউকে কিছু বলিনি।

এব্যাপারে পল্লী চিকিৎসক ফরিদের ভাই টিপু সুলতান জানান, এটা একটা সাজানো নাটক। আমার ভাইকে ফাঁসাতে ষড়যন্ত্রমূলক এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে। ডাক্তারী পরীক্ষা- নিরিক্ষার পরেই সত্য ঘটনা বের হয়ে আসবে।

রামগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, গৃহবধুর দায়ের করা মামলার ভিত্তিতেই পল্লী চিকিৎসক ফরিদকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

 

Leave a Reply