লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী একজন নিবেদিত নেতা

 

নিজস্ব প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুর শহরের মানুষ তাকে চেনে একজন সহজ-সরল, সদালাপী, বিনয়ী ও মানবিক মানুষ হিসেবে। শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা নন, পৌরবাসীর কাছে একটি পরিচিতমুখও তিনি।

 

ছাত্রজীবন থেকেই ছিলেন নেতৃত্বের প্রতীক। একাধারে ছিলেন ক্লাস ক্যাপ্টেন, খেলাধুলায় অধিনায়ক এ যেন এক কিশোর নেতা। ১৯৮৫ সালে লক্ষ্মীপুর সামাদ একাডেমির ফুটবল দলের অধিনায়ক হিসেবে তাঁর নেতৃত্বগুণ সবার নজরে আসে। সেই সঙ্গে নোয়াখালী জেলা সাঁতার প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন এবং বাংলাদেশ এথলেটিকসে বিভাগীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করে তিনি নিজেকে ক্রীড়াঙ্গনেও প্রতিষ্ঠিত করেন।

 

শুধু খেলাধুলা নয়, শিক্ষাক্ষেত্রেও তিনি ছিলেন সফল। ১৯৮৫ সালে আদর্শ সামাদ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি, ১৯৮৭ সালে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ১৯৯২ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। শিক্ষিত, সৎ ও দায়িত্বশীল এই মানুষটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে মাত্র ১৬ বছর বয়সে বিএনপির ছাত্র সংগঠনের রাজনীতিতে যুক্ত হন।

 

রাজনীতির মাঠে তাঁর সক্রিয়তা ও নিষ্ঠার ফলস্বরূপ ১৯৯৫ সালে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৯৯ সালে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৫ সালে তিনি জেলা যুবদলের সহ-সেক্রেটারি এবং ২০০৮ সালে ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন। ইতিমধ্যে তিনি লক্ষ্মীপুর পৌর ও জেলা বিএনপির সদস্য হিসেবে দলীয় কর্মকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন।

 

রাজনীতির বাইরেও শিক্ষা, জনসেবা এবং ধর্মীয় কাজে ছিল তাঁর আগ্রহ। ২০০৬ সাল থেকে তিনি জনকল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দুই বছর দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে লক্ষ্মীপুর বণিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। এছাড়া বিসিক শিল্প এলাকার আরমান মিজি জামে মসজিদের দীর্ঘদিন সাধারণ সম্পাদক এবং বর্তমানে সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

তিনি লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী আবুল কালাম আজাদ। যিনি ১৯৬৭ সালের ১৫ জুন, পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী জবেদ উল্যা সওদাগর বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মরহুম আবদুল শহীদ এবং মা আনোয়ার বেগমের স্নেহে বেড়ে ওঠা আজাদের জীবনের প্রতিটি অধ্যায় ছিলো মানুষের জন্য নিবেদিত।

 

দীর্ঘদিন বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত এ নেতা মনে করেন, রাজনীতিকে ব্যক্তিস্বার্থে নয়, মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করেতে হবে। সততা, বিনয়, নেতৃত্বগুণ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা তাকে দলীয় কর্মী ও পৌরবাসীর হৃদয়ে স্থান করে দিয়েছে। মানুষের ভালোবাসা নিয়ে দেশ ও দলের জন্য কাজ করাই জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা। পৌরবাসীর দোয়া ও সহযোগিতায় আগামীর অগ্রযাত্রাকে সফল করবে, এমনটাই তাঁর প্রত্যাশা।

Leave a Reply