
মিজানুর শামীমঃ হাইকোর্টে রিটের নিষ্পত্তি হওয়ার আগেই নোটিশ না দিয়ে লক্ষ্মীপুরে প্রশাসন কর্তৃক দোকানঘর উচ্ছেদ করায় ভুক্তভোগী পরিবার থেকে মানববন্ধন করা হয়েছে। ৯ নভেম্বর বেলা এগারোটায় শহরের দক্ষিণ তেমহনীস্হ মাছবাজার সংলগ্ন লক্ষ্মীপুর- রামগতি আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে মানববন্ধনে বক্তব্য তুলে ধরেন রাকিব আহসান।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে দাবী করেন, তাঁরা জেলা পরিষদ থেকে বৈধভাবে মালিকানা অর্জনের মাধ্যমে দোকানপাট নির্মাণ করে দীর্ঘদিন যাবৎ ৭ শতাংশ জমিতে দোকানঘর নির্মাণ করে ব্যবসা পরিচালনা করিয়া আসছেন। কিন্তু, গত বছর লক্ষ্মীপুর- রামগতি আঞ্চলিক মহাসড়ক প্রশস্ত করার লক্ষ্যে জমি অধিগ্রহণের উদ্দ্যোাগ নেয় সরকার। তখন উন্নয়ন কাজের স্বার্থে নিজ উদ্যোগে আমাদের জমি ছেড়ে দিয়ে সরকারকে সহযোগিতা করে লাল দাগের বাহিরে গিয়ে দোকানপাট নির্মাণ করি। পরে ৮ নভেম্বর হঠাৎ করে কোনো প্রকার নোটিশ না দিয়ে জেলা প্রশাসন এবং সড়ক ও জনপদ কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে আমাদের ৮টি দোকানঘর বুলডেজার দিয়ে ভেঙ্গে দেয়। অথচ মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে এ বিষয়ে গত ৬ নভেম্বর রিট হলে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক এবং লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে জবাব চেয়ে রুল জারি করা হয়।
মানববন্ধনে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষে প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানান যে, মহামান্য উচ্চ আদালতে এ বিষয়ে দায়েরকৃত রিটটি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ভুক্তভোগী পরিবারের দোকানঘরের বিষয়ে সকল কার্যক্রম স্থগিত রাখার।
এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জহিরুল ইসলামের নিকট জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, রাস্তা প্রশস্ত করণের জন্য জমি অধিগ্রহণ করার পরে মাইকিং করে এবং মৌখিকভাবেও সবাইকে অবহিত করা হয়। যারা মানেন নাই তাদের দোকান পাট আইনানুগভাবে উচ্ছেদ করা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নোটিশ দিয়ে উচ্ছেদ করতে হবে এমন কোনো নিয়ম নাই।