লক্ষ্মীপুরে চেক জালিয়াতি করে ব্যবসায়ীকে হয়রানীর অভিযোগ

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে চেক জালিয়াতি করে মামলা দিয়ে ব্যবসায়রীকে হয়রানী করার অভিযোগ উঠেছে। ভূক্তভোগী ব্যবসায়ী মো: আফছার উদ্দিন নবরুপা হোল্ডিং লি: এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। বুধবার (২৩ নভেম্বর), লক্ষ্মীপুর সাংবাদিক ফোরামের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন তিনি। এসময় প্রধানমন্ত্রীর নিকট ন্যায় বিচারের দাবীও জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, আমার নির্মানাধীন প্রতিষ্ঠান লক্ষ্মীপুর নিউর্মাকেট প্রকল্পের নিচ তলার ১৮নং দোকানটি সদর উপজেলার মহাদেবপুর গ্রামের সাইফুল্লা মাস্টারের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম কে বরাদ্ধ দেই। গত ২৯.১১.২০১১ইং তারিখে উক্ত দোকান রেজিঃ করে, দখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়। জাহাঙ্গীর আলম বিদেশ চলে যায়। এসে দেখেন তার দোকনটি আবুল খায়ের নামের এক ব্যক্তি দখল করে আছে।

পরবর্তীতে তিনি বিষয়টি জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন এর কাছে বিচার দেন। নয়ন উভয়পক্ষের কথা শুনে ১৮ লক্ষ টাকা জাহাঙ্গীর আলম কে দিয়ে দোকানটি আমাকে ফেরত নিতে বলেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইসলামী বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশ লি: ধানমন্ডি শাখর চলতি হিসাব নং-১৮৫৮, চেক নং- আই বি বি এল ৪০৫৮৭৩৪ নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়নের কাছে জমা দেই আমি। কথা ছিলো জাহাঙ্গীর দোকানটি আমার নামে সাব কবলা রেজিঃ দিয়ে উক্ত চেক নগদায়ন করবে। কিন্তু তিনি আমার নামে না দিয়ে রায়পুর উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বাবুল পাঠানের নামে রেজি: করে দিয়ে আবার বিদেশে চলে যায়।

এর পর আমার দেওয়া চেকটিও নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়নের কাছ থেকে রফিকুল ইসলাম বাবুল পাঠান নিয়ে যায়। বাবুল পাঠান দোকানের দখল বুঝে পাওয়ার জন্য আদালতে একটি মামলা (নং-৪০/১৬) দায়ের করেন। তিনি দোকান ঘর বুঝে নিয়েও আমার চেকটি ফেরত না দিয়ে উল্টা আমার বিরুদ্ধে রায়পুর উপজেলার দেনায়েতপুর গ্রামের শাহ আলমের ছেলে জাহাঙ্গীর আলম নামের আরেক এক ব্যাক্তিকে বাদী করে লক্ষ্মীপুর আদালতে আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা মামলা (নং-৫৮১/১৬) দায়ে করেন। প্রকৃত অর্থে উক্ত মামলার বাদী জাহাঙ্গীর আলম, পিতা শাহ আলম কে আমি চিনিওনা। বর্তমানে চরম অনিরাপত্তা ও হয়রানীর মধ্যে আছে বলেও জানান এ ব্যবসায়ী। বিষয়টি রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা, র‌্যাব, সিআইডি কর্তৃক সঠিক তদন্ত করে ন্যায় বিচারের দাবী করেন তিনি।

Leave a Reply