
নিজস্ব প্রতিবেদক :
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজারে অবস্থিত চন্দ্রবিন্দু চাইনিজ রেস্টুরেন্ট৷ অভিযোগ আছে চন্দ্রগঞ্জ এবং পাশ্ববর্তী এলাকার স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরা এ রেস্টুরেন্টে ঘন্টায় ৫ থেকে ৬শত টাকার বিনিময়ে নিরাপদে আপত্তিকর সময় কাটিয়ে থাকেন৷
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে (সামাজিক ও তাদের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে নাম-পরিচয় গোপন রাখা হলো) কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র এবং হাজির পাড়া হামিদিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে অসামাজিক কার্যকলাপ করার সময় আটক করা হয়৷ পরে থানায় মুচলেকা দিয়ে অভিভাবকের হাতে তাদের তুলে দেওয়া হয়৷
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজারে অবস্থিত মেডিএইড ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের তৃতীয় তলায় অন্ধকার একটি কক্ষে চন্দ্রবিন্দু চাইনিজ রেস্টুরেন্ট৷ এতে রয়েছে একাদিক গোপন কক্ষ যা সম্পূর্ণ অন্ধকার৷ আছে বিশেষ বাতির ব্যবস্থা যা বিপদ বুঝলে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ জ্বালিয়ে দেয়৷ একই ভবনের দ্বিতীয় তলায় রয়েছে কোচিং সেন্টার৷
স্কুল-কলেজ পড়ুয়া ছাত্র-ছাত্রীরা অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িয়ে যাচ্ছে অতি সহজেই। তবে এ নিয়ে নেই কারো কোনো মাথা ব্যথা।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের সহযোগিতায় চলছে চন্দ্রবিন্দু চাইনিজ রেস্টুরেন্ট৷ এলাকাবাসী দীর্ঘদিন যাবত ভয়ে মুখ না খুলতে পেরে গণমাধ্যমের সহযোগিতা কমানা করেন একই সাথে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এই রেস্টুরেন্ট বন্ধের দাবী জানান৷
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জসীম উদ্দীন জানান, চন্দ্রবিন্দু চাইনিজ রেস্টুরেন্টের আড়ালে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছিল তা আমার জানা ছিল না৷ এখন যেহেতু বিষয়টি জেনেছি, সব সময় চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশ মনিটরিং করবে৷ অপরাধী যেই হোক, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না৷