
নিজস্ব প্রতিনিধিঃ রায়পুর উপজেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক শওকত হোসেনকে হত্যাচেষ্টা চালানোর অভিযোগে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি আবদুল মতিন ভূঁইয়াসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়। ২৭ আগস্ট বিকেল পর্যন্ত এ মামলা কাউকেই গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। মামলার অন্য আসামিরা হলেন মতিনের ভাই নাসির উদ্দিন ভূঁইয়া, অনুসারি শাকিল হোসেন, আল-আমিন ও অজ্ঞাত ৫ জন। তারা সদর উপজেলার উত্তর হামছাদি ইউনিয়নের উত্তরহামছাদী গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার এজাহার সূত্র জানা গেছে, ভুক্তভুগি শওকত পেশায় একজন ঠিকাদার। বিভিন্ন কারণে শওকতের সঙ্গে মতিনসহ আসামিদের পূর্ব বিরোধ রয়েছে। এর জের ধরেই শওকতের ঠিকাদারী কাজে আসামিরা বাধা দিয়ে আসছে। বাধা দেয়ার ঘটনাটি স্থানীয় গণ্যমান্যদের অবহিত করলে আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। এর জের ধরে গত ২৩ আগস্ট রাতে বাড়িতে যাওয়ার পথে সদর উপজেলার উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের কাজির দিঘীরপাড় ঈদগাহ ময়দান প্রাঙ্গণে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে শওকতের ওপর হামলা চালায়। এসময় হত্যার উদ্দেশ্যে রড ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে, কিল-ঘুষি মেরে তাকে আহত করে। এক পর্যায়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার চেষ্টা করা হয়। মামলার সাক্ষী বিপ্লব ভূঁইয়া দেখে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে শওকতকে আসামিদের হাত থেকে রক্ষা করে।
এ ঘটনায় কোন বাড়াবাড়ি ও আইনের শরনাপন্ন হলে শওকতকে হত্যা করে লাশ গুমের হুমকি দেয় আসামিরা। ঘটনার সময় শওকতের সঙ্গে থাকা ৮৫ হাজার ৭০০ টাকা আসামিরা নিয়ে গেছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়। ঘটনায় ২৫ আগস্ট শওকত বাদী হয়ে মতিনসহ ৪ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ৫ জনকে আসামি করে সদর থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
শুক্রবার দুপুরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোতাহের হোসেন বলেন, হত্যাচেষ্টা মামলাটি থানায় রুজু হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কেহ গ্রেফতার হয়নি। তবে মামলাটির যথাযথ তদন্তের কাজ এগিয়ে চলছে।