
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, গত ২৫এপ্রিল চন্দন কুমার ভৌমিক নন্দনপুর গ্রামের ডাব ব্যবসায়ী আবদুল মতিনের কাছে ৪৮০পিছ ডাব টেন্ডার ছাড়াই গোপনে বিক্রি করেন। যার বাজার মূল্য প্রায় ১৬ হাজার টাকা। রবিবার সকালে আবদুল মতিন ৪জন শ্রমিক নিয়ে শতাধিক গাছের ডাব গুলো কেটে একটি পিকআপ ভ্যানে করে নিয়ে যায়।
এছাড়াও বিভিন্ন সময় ফরেষ্ট অফিসের দুটি পুকুরের মাছ ধরে টেন্ডার ছাড়াই বিক্রি করে টাকা আত্মসাৎ করেন। সরকারি গাছ নিজের মনমতো বিক্রি করারও অভিযোগ পাওয়া যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা, মোঃ ইব্রাহিম, আনিছুর রহমান, আলী হায়দর পিউ সহ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও একাধিক ব্যাক্তি সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, দালাল বাজার ফরেষ্ট অফিসে যোগদানের পর থেকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চন্দন কুমার ভৌমিক বিভিন্ন অনিয়ম দূর্নীতি করে আসছে। তিনি টেন্ডার ছাড়াই বিভিন্ন মালামাল বিক্রি করে সরকারি টাকা আত্মসাৎ করেন। ফরেষ্ট অফিসের ডাব, নারিকেল, দুটি পুকুরের মাছ, বিভিন্ন মূল্যবান গাছ টেন্ডার ছাড়াই বিক্রি করে সরকারের লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন। প্রায় সময় পুকুরে জাল পেলে মাছ ধরে ইচ্ছে মতো মাছ বিক্রি করেন।
ডাব ব্যবসায়ী আবদুল মতিন বলেন, দালাল বাজার ফরেষ্ট অফিসের ভারপ্রাপ্ত বন কর্মকর্তা চন্দন কুমার ভৌমিক অফিস আঙিনার গাছের ডাব গুলো আমার কাছে
৩২টাকা ধরে ৪৮০টি ডাব বিক্রি করে। আমি ৪জন শ্রমিক নিয়ে রবিবার সকালে ডাব গুলো কেটে নিয়ে আসি।
এবিষয়ে অভিযুক্ত দালাল বাজার ফরেষ্ট অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা চন্দন কুমার ভৌমিকে বক্তব্য জানতে তার মোবাইল ফোনে বার বার কল করলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
জানতে চাইলে,লক্ষ্মীপুর বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক মোঃ ফিরোজ আলম চৌধুরী বলেন, এবিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।