
তবে ভোটারদের অভিযোগ, রায়পুর মার্চেন্টস একাডেমি ও রায়পুর সরকারি ডিগ্রি কলেজসহ বেশ কয়েকটি কেন্দ্রে বহিরাগত আওয়ামী লীগ নেতারা নৌকায় প্রকাশ্যে ভোট প্রদানে বাধ্য করছেন। তারা এজেন্ট পরিচয়ে ভোট গ্রহণ কক্ষে প্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন।
এদিকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন বজায় রাখতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশনা মোতাবেক রায়পুর পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডে ৯জন বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি ফোর্স মোতায়েন রয়েছে।
রায়পুর পৌরসভার মেয়র পদে ৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এরমধ্যে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকে মো. গিয়াস উদ্দিন রুবেল ভাট, বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে এবিএম জিলানী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আবদুল খালেক এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মোবাইল প্রতীকে মনির আহম্মদ, জগ প্রতীকে নাছির উদ্দিন ও নারিকেল গাছ প্রতীকে মো. মাসুদ উদ্দিন।
এছাড়াও সংরক্ষিত ৩টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৬ জন মহিলা প্রার্থী এবং ৯টি সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ৫১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
রায়পুর পৌরসভায় ভোটার সংখ্যা ২৩ হাজার ৬৩১ জন। ১৩টি ভোট কেন্দ্রের ৭০ টি কক্ষে ভোটগ্রহণ চলছে।