
ভাস্কর মজুমদার (নিজস্ব প্রতিবেদক); লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে যাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে থাকা একটি সিএনজি অটোরিক্সা এবং একটি প্রাইভেট কারকে চাপা দেয়। এসময় বাসটি ফুটপাতের থাকা তিনটি দোকানে ঢুকে পড়ে। এতে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে অনেকে বাজারের ব্যবসায়ী এবং পথচারী ছিলেন। আহতরা হলেন, সিরাজ মাঝির পুত্র মো. রাজু (১০), মো. আলীর পুত্র মো. কাউছার (৩৫), ইসমাইল হোসেনের পুত্র মো. ফারুক (২৫), মনছুর মিয়ার পুত্র মো. মানিক (৩৫), জাহিদুল ইসলাম নিহাদ ও আব্দুল হাইর পুত্র সিএনজি অটোরিকশা চালক মো. গফুর। তাদের মধ্যে ৫ জনকে কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, দুইজনকে জেলা সদর হাসপাতাল এবং গুরুতর আহত একজনকে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া দুর্ঘটনায় আহত ৮-১০ জন বিভিন্ন স্হানে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে বলে জানা গেছে। ১৬ নভেম্বর মঙ্গলবার দুপুর ১টার দিকে লক্ষ্মীপুর-রামগতি আঞ্চলিক সড়কের কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, লক্ষ্মীপুর থেকে রামগতিগামী একটি যাত্রীবাহী বাস তোরাবগঞ্জ বাজারে আসলে নিয়স্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে উঠে যায়। এ সময় ফুটপাতে থাকার দুইটি ভ্যারাইটিজ স্টোর ও একটি ফল দোকানে ঢুকে পড়ে। পরে রাস্তার পাশে থাকা একটি প্রাইভেট কার ও একটি সিএনজি অটোরিক্সাকে চাপা দেয়। এতে প্রায় ২০জন ব্যক্তি মারাত্মক আঘাত প্রাপ্ত হন।
এ ব্যাপারে কমলনগর থানার অফিসার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মোঃ মোসলেহ উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা হবে।