
লক্ষ্মীপুরে বিয়ের নামে প্রবাসীর সাথে নিখুঁত প্রতারণা বধু স্মৃতি কারাগারে সহ কয়েকটি শিরোনামে একাধিক অনলাইন নিউজ প্রোটালে প্রকাশিত সংবাদ গুলো আমার দৃষ্টি গোচর হয়। প্রকাশিত সংবাদ গুলোর অধিকাংশ মিথ্যা, বানোয়াট, কাল্পনিক ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত। আমাদের পারিবারিক সম্মান নষ্ট করার জন্য প্রতিপক্ষ সাংবাদিকদের এমন তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রচার করিয়েছেন। যা আদৌও সত্য নয়।
সংবাদে উল্লেখ করা হয় স্বামীর কাছ থেকে ২৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, কাল্পনিক ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত।
প্রকৃত সত্য হলো, গত ২০২০ সালের ১৩ নভেম্বর মাসে কমলনগরের চর জাঙ্গালিয়ার মৃত নুরনবী’র ছেলে খোকন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে আমার মেয়ে ১০লাখ টাকা দেনমোহরে নুর জাহান স্মৃতি কে বিয়ে করে। যেহেতু খোকন বিদেশে তাই কাবিন করা সম্ভব না বলে তার বড় ভাই আবুল খায়ের মানিক অগ্রিম কাবিন বাবদ ১০লাখ টাকার একটি চেক দেয়। কথা ছিলো খোকন দেশে এসে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিয়ে করে বউ নিয়ে যাবে। কিন্তু সে দেশে আসার পর বিয়ে না করতে বিভিন্ন তাল বাহানা শুরু করে। একদিন হঠাৎ করে স্মৃতি কে লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজ থেকে জোর করে গাড়ীতে তুলে নিয়ে যায়। পাঁচ দিন পর স্মৃতি কে আমাদের বাড়িতে রেখে সে চলে যায়। এবিষয়ে লক্ষ্মীপুর আদালতে একটি কোর্ট ডায়েরি করেছি। পরে ১৯ জুন ১০লাখ টাকা দেন মোহরে খোকন স্মৃতি কে বিয়ে করে। এবং অগ্রিম কাবিন বাবদ দেওয়া ১০লাখ টাকার চেকটি ফেরত নিয়ে যায়। সংবাদে আরও উল্লেখ করা হয় জমি কিনার জন্য ১০লাখ টাকা দিয়েছে যা রুপকথার গল্প ছাড়া কিছুই না। যেখানে যৌতুকের টাকা জন্য আমার মেয়েকে নিতেই রাজি না এবং অমানুষিক নির্যাতন করে সেখানে ১০লাখ টাকা দেওয়ার প্রশ্ন-ই আসেনা।
বিয়ের পর থেকে নানান অজুহাতে খোকন আমাদের কাছে যৌতুক দাবি করে। যৌতুকের জন্য আমার মেয়েকে শারীরিক ও মানসিক ভাবে নির্যাতন করে। আমার আত্মীয়-স্বজনের সাথে খারাপ আচরণ করে।
অমানুষিক নির্যাতন সইতে না পেরে আদালতের মাধ্যমে স্বামী কে তালাক দেয় স্মৃতি। কিন্তু এতে যৌতুক লোভী খোকন ও তার বড় ভাই আবুল খায়ের মানিক আরোও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। তারা কাবিনের টাকা দেওয়ার ভয়ে আমাদের নামে কাল্পনিক গল্প সাজিয়ে মিথ্যা মামলা করে। আমি এই মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদ জানাই।
নিবেদক
নুর জাহান স্মৃতির মা
জেসমিন আক্তার।