
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি:লক্ষ্মীপুরে নিজের আপন বড় ভাইয়ের বউয়ের সাথে পরকীয়ার জড়িয়ে পড়েন তারই আপন ছোট ভাই জয়নাল আবেদীন। অতঃপর ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর রাজিয়া খাতুনের হাতে ধরা!!লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চররমনী মোহন ইউনিয়ন নিমতলী বাজার এলাকায় রুপবানের বাপের বাড়িতে বৃহস্প্রতিবার রাত ১ ঘটিকার দিকে এ ঘটনা ঘটে।একই বাড়ির আবুল কালামের পুত্র জয়নাল।
শুক্রবার জয়নায় আবেদীনের স্ত্রী রাজিয়া জানায়,কুমিল্লাহ একটি গাড়িতে হেল্পারি কাজ করার কারণে দীর্ঘদিন বাড়ির বাইরে থাকতে হয় ভাসুর হোসেন আহম্মদ।অনুপস্থিতির এ সময়ে হোসেনের ছোট ভাই চা দোকানদার জয়নাল আবদিনের সঙ্গে স্ত্রী খাতিজা বেগমের অবৈধ সম্পর্ক হয়। বৃহস্পতিবার রাত ১ ঘটিকার দিকে খাতিজা আমার স্বামীকে ফোন করে, এতে আমার স্বামী জয়নাল আমার বিছানার পাশ থেকে চলে যায়।ঘন্টা খানিক পর তাকে খুঁজতে বের হয়।অনেক খোজা খুজির পর অন্তরঙ্গ অবস্থায় খাতিজার ঘরে আমার স্বামীকে দেখতে পাই। পরে আমি চিতকার চেঁচামেচি শুরু করতে থাকি ।এক পর্যায়ে খাতিজা তার ঘরের ভিতরের এবং বাহিরের বিদ্যুতের বাল্ব অফ করে দেন।এসময় আমার স্বামী এক হাঁটু পানি দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়।
পরে ঘটনার স্থলে স্থানীয় গণ্যমান্য সমাজের লোক জন জড়ো হলে অভিযুক্ত খাতিজা জানায় ভাসুর জয়নাল সুপারী গাছ থেকে সুপারী পাড়ার জন্য আসছে।।
এদিকে জয়নালের মা আয়েশা বেগম জানায়, সকালে ইউপি সদস্য বাবুল ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা সালিশের বৈঠকে জয়নাল এবং খাতিজাকে অভিযুক্ত করে চড় থাপ্পর মারা হয়েছে।
অপর দিকে নাম প্রকাশ্যে কয়েকজন জানায়, চা দোকানদার জয়নালের চোখ খারাফ ,এর আগে সে আরো দুটো বিয়ে করেন। অপকর্মে দায়ে এলাকায় বৈঠকও হয়েছে।
অভিযুক্ত জয়নালের সাথে যোগযোগ করতে তার চা দোকানে গিলে, সাংবাদিক আসার টের পেয়ে দোকান বন্ধ করে পালিয়ে যায় জয়নাল।
অভিযুক্ত খাতিজার বক্তব্য নিতে তার বাড়িতে গিলে প্রতিবেধকের আসার খবর পেলে ঘরের দরজায় তালা জুলিয়ে পালিয়ে যায় খাতিজা।
দেবর ভাবির অবৈধ সম্পর্ক এলাকয় জানাজানি হলে স্থানীয়দের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।
এ বিষয়ে চররমনী মোহন ইউপি সদস্য বাবুলের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানায়, গরীবের বিষয়ে নিয়ে আপনাদের এতো মাথা ব্যথা কেনো। দামাচাপার বিষয়ে তিনি এড়িয়ে যান।