
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পশ্চিম চরমনসা গ্রামে পূর্ব শত্রুতার জেরধরে প্রভাবশালী বাহার ও তার লোকজন একই গ্রামের কৃষক আবুল কালামের মৎস্য খামারে হামলা করে ফল ও সবজি গাছ কেটে প্রায় লাখ টাকার ক্ষতি সাধন করার অভিযোগ পাওয়াগেছে। বুধবার (১১আগষ্ট) বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবুল কালাম। এ ঘটনায় গ্রামবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম চরমনসা গ্রামের আবুল কালাম ও নুরুজ্জামান চৌধুরীর মধ্যে দীর্ঘ দিন থেকে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। ১৭ বছর আগ থেকে ৬০ শতাংশ জমি খরিদ সুত্রে ভোগ দখল করে আসছেন আবুল কালাম। বিগত ২ বছর হয় ঐজমির পাশে ৫ শতাংশ জমি খরিদ করে, আবুল কালামের জমিতে, দখল নেওয়ার চেষ্টা চালায় নুরুজ্জামান চৌধুরীগং। এ নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক আবুল কালাম জানান, নিজের জমিতে খামার তৈরীকরে মাছ চাষ এবং নানা জাতের ফল ও সবজি চাষ করছেন তিনি। ভালোই ফলন শুরু হয়েছে, কিন্তু আমার সব কিছু শেষ করে পেলছে। গত শুক্রবার ভোর রাতে নুরুজ্জামানের ছেলে বাহার ও জাকিরের নেতৃত্বে ৫/৬ জন আমার ফল ও সজবির গাছ গুলো কেটে ফেলে এবং মাছের খামারের পানি পাইপ খুলে দিলে বেশ কিছু মাছ বের হয়ে যায়। পাশের বাড়ির মিলন বেগম ঘটনা দেখে চিৎকার শুরু করলে তারা পালিয়ে যায়। এতে আমার প্রায় লাখ টাকার ক্ষতি হয়।
স্থানীয় মসজিদ কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ উল্যাহ, ব্যবসায়ি বাবুল সহ কয়েকজন গ্রামবাসী জানায়, আবুল কালাম ৬০ শতাংশ জমি খরিদ করে দীর্ঘ দিন থেকে ভোগ দখলে আছেন। সমাজ বাসীর উদ্যোগে তা পরিমাপ করেও এর সত্যতা পাওয়া গেছে। অপর দিকে নুরুজ্জামানের খরিদকৃত জমিন পরিত্যাক্ত অবস্থায় রয়েছে। নুরুজ্জামান প্রভাবশালী হওয়ায় তারা গায়ের জোরে এলাকায় বিভিন্ন অপকর্ম করে যাচ্ছে। তার ছেলে বাহারের নেতৃত্বে এলাকায় মাদক ও জুয়ার আড্ডা বসে তাদের ভয়ে সবাই নিরবে হজম করে চলছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে, বাহার গাছ কাটা এবং মাদক ও জুয়ার আড্ডা বসানোর কথা অস্বীকার করে বলেন, আমরা মাঝে মধ্যে তাস খেলি। জমি খরিদ করেছি মাছের খামারে যাতায়াতের রাস্তার জন্য, কিন্তু আবুল কালাম তাতে বাধা দিচ্ছেন। বর্তমানে আমাদের মধ্যে মামলা চলছে।