
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলার দালাল বাজার ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সুমন হোসেন বাদশার নেতৃত্বে দুইজন শিক্ষকের উপর হামলার করা হয়েছে। শনিবার (১০জুলাই) রাত নয়টায় নন্দনপুর রাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার দুই শিক্ষক মো. আক্তার হোসেন খিলবাইচা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ও মো. নিজাম উদ্দিন কাজীর দিঘীরপাড় উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। এ বিষয়ে ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি বাদশাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন জেলা যুবলীগ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার রাত নয়টায়ত নন্দনপুর বাজারের পল্লী চিকিৎসক আমিনের র্ফামেসীতে আমিন ও আক্তার স্যার এর সাথে বিভিন্ন বিষয়ে কথা হচ্ছিল এক পর্যায়ে তা বাকবিতন্ডায় রুপ নেয় তখন আমিন ধাক্কা দিয়ে আক্তার স্যারকে বাহিরে ফেলে দেয়। এর জের ধরে আমিন ডাক্তার তার ভাগিনা ফয়সালকে খবর দিলে সে দালাল বাজার ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি সুমন হোসেন বাদশা ২০ থেকে ৩০ জন লোক নিয়ে নন্দনপুর বাজারে আসে এবং নিজাম স্যারের ও আক্তার সারের উপর হামলা চালায়। বাধা দিতে এগিয়ে আসলে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম এর উপরেও হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা।

ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম জানান, রাত নয়টার দিকে আমি লক্ষ্মীপুরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলাম নন্দনপুর বাজারে দেখি মানুষের ঝটলা এক পর্যয়ে দেখি দালাল বাজার যুবলীগের বাদশা ও ফয়সাল এর নেতৃত্বে নিজাম স্যারের ও আক্তার সারের উপর হামলা চালায়। দুজনই আমার শিক্ষক, তাই আমি হামলাকারী সন্ত্রাসীদের বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তারা আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। আমি নিজের পরিচয় দিলে তারা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে মা-বাবা তুলে গালিগালাজ করে। বিষয়টি ইউনিয়র আওয়মিীলীগের নেতাদের জনিয়েছি, দেখি তারা কি ব্যবস্থা নেয়।
এবিষয়ে শিক্ষক মো. আকতার হোসেন জানান, আমার শিক্ষকতা জীবনে এমন পরিস্থিতির সন্মুখিন হইনি। সন্ত্রাসীরা আমাদের উপর নির্মম ভাবে হামলা করেছে। আমি বিব্রত! ঘটনার বিষয়ে কেন্দ্রিয় যুবলীগ নেতা চপলকে জানিয়েছি। উনি এবিষয়ে ব্যবস্থা নিবেন বলে আমাকে আশ^স্থ করেছেন।
অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা সুমন হোসেন বাদশা জানান, আমিন ডাক্তারের ভাগিনা ফয়সালের সাথে একটা সমস্যা হয়েছে জেনে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। আমি কারো উপর হামলা করিনি। যেহেতু আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম তাই জেলা যুবলীগ থেকে আমাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে।
জেলা যুবলীগের সাধারণ আব্দুল্লা আল নোমান বলেন, ঘটনাটি আমি শুনেছি, তদন্ত পুর্বক সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি বাদশাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।