অবৈধভাবে অন্যের জমি দখল করে রাস্তা তৈরীর চেষ্টা

রামগঞ্জ প্রতিনিধি: মাসুদুর ইসলাম নামের এক ব্যক্তির সম্পক্তি অবৈধভাবে দখল করে রাস্তা নিমার্ণ করার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় ভোলা কোট ইউনিয়নের নাগমুদ গ্রামে আব্দুল খালেক গংদের বিরুদ্ধে।

দখলের সময় উক্তি জমিতে থাকা মাসুদুলের হাঁসের খামারের ঘর ভাংচুর করে ৫০ হাজার টাকার হাঁস ও হাসের খামারের মালামালের ক্ষতিসাধান করেন ।হাঁসের খামারের এবং জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন মাসুদুল ইসলাম। ১৭ মে সোমবার উপজেলার নাগমুদ গ্রামে খলিল মোল্লা বাড়িতে  এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায়  বৃহস্পতিবার  জমির মালিক মাসুদুল ইসলাম রামগঞ্জ থানায় ৩ জনকে আসামী করে একটি  মামলা করেছেন। আসামিরা হলেন আব্দুল খালেক, রাজু ,রাশেদসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪/৫ জন।

মাসুদুল পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে পারিবারিক কবরের স্থানের রাস্তা নির্মাণ নিয়ে সংঘাত চলে আসছে। গত ১৬ মে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গ ও  থানা পুলিশসহ বাড়ির সকলের সম্মতিক্রমে পারিবারিক কবরের স্থানের চলাচলের রাস্তার জন্য নাগমুদ মৌজার ১৮ নং সিটের ৬২০ নং খতিয়ান বাড়ির ২২১০ নং দাগের মালিকানার সম্পক্তির পূর্ব-পশ্চিম,উত্তর-দক্ষিণে আড়াআড়ি সংযোগ করে রাস্তা নির্মাণের জন্য জমি ছেড়ে দিয়েছি।কিন্ত তারা গত সোমবার ১৭ মে সকালে আব্দুল খালেক গংরা  ৫ থেকে ১০ জনের দল বল নিয়ে অবৈধভাবে আমার খামারে জমিতে অনুপ্রবেশ করে হাঁসের খামারের ঘর ভাংচুর,উত্তর- দক্ষিণের পাশ দিয়ে জমি দখল করে কবরের স্থানের রাস্তা নির্মাণ কাজ করেন।ঐ জমিতে থাকা হাঁসের খামারের ঘর ভাংচুর করে, ৫০ হাজার টাকার মালামাল ও হাঁসের ক্ষতিসাধান করে। এতে মাকসুদুল বাঁধা দিলে তারা তাকে দেশীয় অস্র দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করে।পরে আমার শৌর চিৎকারে আশ পাশের লোকজন আসলে তারা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে স্বাস্থ্য ক্লিনিকে চিকিৎসা করেন।

যারা আমার হাঁসের খামার ভাংচুর করেছে,আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করে মারধর ,রক্তাক্ত জখম করে, আমার জমি দখলের চেষ্টা করে।তাদেরকে আইনের আওয়তা এনে শাস্তি দেয়ার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করি।

অভিযুক্ত আব্দুল খালেক সাংবাদিকদের জানায়,পারিবারিক কবরের স্থানের চলাচলের রাস্তা নির্মাণের জন্য, মাকসুদুল সহ সকলের সর্বসম্মতিতে শালিশি বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়। সালিসের সিদ্ধান্ত এখন মাকসুদুল মানেনা। তবে আব্দুল খালেক শালিশি বৈঠকের সিদ্ধান্তের কোন কাগজ দেখাতে পারেন নি।

রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন  বলেন, ওই জমি যে অবস্থায় আছে, সে অবস্থায় থাকবে। পারিবারিক কবরের স্থানের চলাচলের রাস্তার বিষয়টি আদালত নির্ধারণ করবেন।

Leave a Reply